রমজানে ন্যায্যমূল্যে প্রাণিজ পণ্য বিক্রির উদ্যোগ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের

  |   মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬   |   প্রিন্ট

রমজানে ন্যায্যমূল্যে প্রাণিজ পণ্য বিক্রির উদ্যোগ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের
Share

পবিত্র রমজান মাসে সাধারণ মানুষের জন্য সাশ্রয়ী দামে গরু ও মুরগির মাংস, দুধ এবং ডিম সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের মোট ৪৮টি স্থানে ন্যায্যমূল্যের দোকান ও ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়কেন্দ্র থেকে এসব পণ্য কম দামে পাওয়া যাবে।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। এতে বলা হয়, রমজানকে সামনে রেখে বাজারে প্রাণিজ পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং মূল্য স্থিতিশীল রাখতে প্রয়োজনীয় করণীয় নির্ধারণে গত রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।

সভায় আলোচনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, রমজান মাসজুড়ে জনগণের প্রাণিজ আমিষের চাহিদা সহজে পূরণের লক্ষ্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের ব্যবস্থাপনায় সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম, গরুর মাংস ও ড্রেসড ব্রয়লার বিক্রি করা হবে।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রমজানের আগের দিন থেকে ২৫ রমজান পর্যন্ত মোট ২৬ দিন ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়কেন্দ্রের মাধ্যমে এসব পণ্য বিক্রি চলবে। নির্ধারিত দামে ড্রেসড ব্রয়লারের মাংস প্রতি কেজি ২৪৫ টাকা, পাস্তুরিত দুধ প্রতি লিটার ৮০ টাকা, ডিম প্রতি পিস ৮ টাকা এবং গরুর মাংস প্রতি কেজি ৬৫০ টাকা দরে ভোক্তাদের কাছে বিক্রি করা হবে।

সভায় আরও জানানো হয়, প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের অধীন বিভাগীয় পরিচালক ও জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে ঢাকা শহরের বাইরে অন্যান্য বিভাগীয় ও জেলা শহরেও স্থানীয় বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় সুলভ দামে দুধ, ডিম, মাংস ও ব্রয়লার বিক্রির উদ্যোগ নেবেন।

ঢাকা মহানগর ও সিটি করপোরেশন এলাকায় জনগণের চাহিদা বিবেচনায় প্রাথমিকভাবে ২৫টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এই কার্যক্রম পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে—সচিবালয় সংলগ্ন আব্দুল গনি রোড, খামারবাড়ি (ফার্মগেট), মিরপুরের ষাটফুট সড়ক, আজিমপুর মাতৃসদন, পুরান ঢাকার নয়াবাজার, উত্তরা হাউজ বিল্ডিং, রামপুরা বাজার, হাজারীবাগ, আরামবাগ (মতিঝিল), কালশী (মিরপুর), যাত্রাবাড়ীর মানিক নগর, বাড্ডার শাহজাদপুর, বনানীর কড়াইল বস্তি, কামরাঙ্গীরচর, খিলগাঁও রেলক্রসিং (দক্ষিণ), নাখালপাড়া (লুকাস মোড়), সেগুনবাগিচা কাঁচাবাজার, মোহাম্মদপুরের বাবর রোড ও বসিলা এলাকা, কাকরাইল, বনশ্রী, মিরপুর-১০, কল্যাণপুর, তেজগাঁও এবং পুরান ঢাকার বঙ্গবাজার।

এছাড়া স্থানীয় উদ্যোক্তা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে ভ্রাম্যমাণ বিক্রির জন্য স্থায়ী স্পট নির্ধারণ করে পর্যায়ক্রমে বিক্রয়কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানো হবে বলেও জানানো হয়েছে।

 

প্রতিদিনের অর্থনীতি/এসআর
Facebook Comments Box
Share
advertisement

Posted ২:১২ পিএম | মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

প্রতিদিনের অর্থনীতি |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

আর্কাইভ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর

সম্পাদক:
এম এ খালেক
Contact

মাকসুম ম্যানশন (৪র্থ তলা), ১২৭, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০

০১৮৮৫৩৮৬৩৩০

E-mail: protidinerarthonity@gmail.com