প্রতিদিনের অর্থনীতি | শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬ | প্রিন্ট
ঈদকে সামনে রেখে প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বাড়ায় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। চলতি মার্চের প্রথম ১৪ দিনেই ২২০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৫.৭ শতাংশ বেশি।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ১৬ মার্চ পর্যন্ত মোট (গ্রোস) রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪.২২ বিলিয়ন ডলার এবং আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে তা ২৯.৫২ বিলিয়ন ডলার। ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ প্রায় ২৬ বিলিয়ন ডলার, যা দিয়ে প্রায় পাঁচ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। এক বছর আগে রিজার্ভ ছিল ২৫.৪৪ বিলিয়ন ডলার, অর্থাৎ বছরে প্রায় ৯ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে।
রিজার্ভ বৃদ্ধির পেছনে মূল ভূমিকা রেখেছে ঈদকেন্দ্রিক রেমিট্যান্স প্রবাহ, ডলার বিক্রি কমানোর নীতি, হুন্ডি ও অর্থপাচার নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ এবং বৈদেশিক মুদ্রা সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ। সাম্প্রতিক মাসগুলোতেও রেমিট্যান্সে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে—ফেব্রুয়ারিতে ৩০২ কোটি ডলার, জানুয়ারিতে ৩১৭ কোটি এবং ডিসেম্বরে ৩২২ কোটি ডলার এসেছে। একই সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক চলতি অর্থবছরে প্রায় ৫.৫ বিলিয়ন ডলার কিনে রিজার্ভ শক্তিশালী করেছে।
তবে সামনে বিনিয়োগ বাড়লে মূলধনি যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল আমদানির চাহিদা বৃদ্ধি পেতে পারে, যা ডলারের ওপর নতুন চাপ তৈরি করতে পারে। এ পরিস্থিতিতে অর্থপাচার নিয়ন্ত্রণ, রপ্তানি আয় বৃদ্ধি এবং কার্যকর বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা রিজার্ভের স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
Posted ৫:৫১ পিএম | শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
প্রতিদিনের অর্থনীতি | Protidiner Arthonity