নিজস্ব প্রতিবেদক | বুধবার, ১৩ মে ২০২৬ | প্রিন্ট
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির মূলধন বৃদ্ধি ও লভ্যাংশ ব্যবস্থাপনাকে আরও সহজ ও গতিশীল করতে একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নিয়ন্ত্রক সংস্থার মাধ্যমে পুনর্গঠিত পরিচালনা পর্ষদের সম্মিলিত শেয়ার ধারণ ৩০ শতাংশের নিচে নেমে গেলেও সংশ্লিষ্ট কোম্পানি মূলধন বাড়াতে পারবে। একইসঙ্গে ‘এ’ ক্যাটাগরিভুক্ত ব্যাংকগুলোকে নিজস্ব ব্যাংকেই ডিভিডেন্ড অ্যাকাউন্ট সংরক্ষণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) বিএসইসির চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ১০১৩তম কমিশন সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বুধবার (১৩ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানায় কমিশন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কোনো তালিকাভুক্ত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ যদি নিয়ন্ত্রক সংস্থার মাধ্যমে পুনর্গঠিত হয় এবং পুনর্গঠিত বোর্ডের সম্মিলিত শেয়ার ধারণ ৩০ শতাংশের নিচে নেমে যায়, তাহলে সেটি আর মূলধন বৃদ্ধি বা ক্যাপিটাল রেইজিংয়ের ক্ষেত্রে বাধা হিসেবে বিবেচিত হবে না। ফলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলো রাইট শেয়ার, বোনাস শেয়ারসহ বিভিন্ন উপায়ে মূলধন বাড়ানোর সুযোগ পাবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন জারির সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।
এছাড়া স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত ‘এ’ ক্যাটাগরির ব্যাংকগুলো এখন থেকে নিজেদের ব্যাংকেই ডিভিডেন্ড অ্যাকাউন্ট সংরক্ষণ করতে পারবে বলে জানিয়েছে বিএসইসি।
একই সভায় পুঁজিবাজারভিত্তিক স্বচ্ছ, নির্ভরযোগ্য ও গবেষণাধর্মী সাংবাদিকতাকে উৎসাহিত করতে ‘বিএসইসি ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিজম এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস অ্যান্ড ফেলোশিপ ২০২৬’ আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও এ আয়োজন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
বিএসইসির মতে, এ উদ্যোগ পুঁজিবাজার সাংবাদিকতায় দায়িত্বশীলতা, নৈতিকতা ও পেশাগত সততা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। একইসঙ্গে ফেলোশিপ কর্মসূচির মাধ্যমে সাংবাদিকরা বৈশ্বিক আর্থিক বাজার সম্পর্কে জ্ঞান ও বিশ্লেষণী দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগ পাবেন।
উল্লেখ্য, গত বছর প্রথমবারের মতো ‘বিএসইসি ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিজম এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস অ্যান্ড ফেলোশিপ ২০২৫’ আয়োজন করা হয়। ওই আয়োজনে প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন—এই তিন ক্যাটাগরিতে মোট ৯ জন সাংবাদিককে পুরস্কৃত করা হয়েছিল।
Posted ১০:০৮ পিএম | বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রতিদিনের অর্থনীতি | Protidiner Arthonity