নিজস্ব প্রতিবেদক | সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬ | প্রিন্ট
আমদানি করা পণ্যের খালাস প্রক্রিয়া দ্রুততর করতে এবং বাণিজ্য কার্যক্রমে গতি আনতে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এখন থেকে নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণকারী বেসরকারি ল্যাবরেটরিতেও আমদানি পণ্যের রাসায়নিক পরীক্ষা করা যাবে।
সম্প্রতি এনবিআরের কাস্টমস নীতি শাখা এ সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি করেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে পরীক্ষার ফলাফল পেতে সময় কম লাগবে এবং বন্দরে পণ্যজটও হ্রাস পাবে।
এনবিআরের আদেশে বলা হয়েছে, আমদানিকৃত পণ্যের গুণগত মান, ঘোষিত তথ্যের সত্যতা, জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ঝুঁকি এবং আমদানি নীতিমালার শর্ত প্রতিপালন নিশ্চিত করতে নিয়মিত রাসায়নিক পরীক্ষা করা হয়। বর্তমানে এসব পরীক্ষা কাস্টমস ল্যাবসহ সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ল্যাবরেটরিতে সম্পন্ন হয়।
তবে সীমিত সক্ষমতা ও পরীক্ষার চাপের কারণে অনেক ক্ষেত্রে প্রতিবেদন পেতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। এর ফলে আমদানিকারকদের পণ্য খালাসে বিলম্বের পাশাপাশি ব্যবসায়িক ব্যয়ও বেড়ে যায়।
এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে এনবিআর নতুন ব্যবস্থা চালু করেছে। এর আওতায় বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি) এবং আন্তর্জাতিক মান সংস্থা আইএসও স্বীকৃত বেসরকারি ল্যাবরেটরিগুলোও আমদানি পণ্যের নমুনা পরীক্ষা করতে পারবে। এসব প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই শুল্ক নির্ধারণ ও কাস্টমস কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।
তবে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে কয়েকটি শর্তও নির্ধারণ করেছে এনবিআর। বেসরকারি ল্যাবগুলোকে বিএবি অনুমোদিত পরীক্ষণ পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে। এছাড়া আমদানি নীতি আদেশে যেসব পণ্যের জন্য নির্দিষ্ট কোনো কর্তৃপক্ষ বা পরীক্ষাগারের নাম উল্লেখ রয়েছে, সেসব ক্ষেত্রে নতুন এই সুবিধা প্রযোজ্য হবে না।
অর্থাৎ সংশ্লিষ্ট পণ্যের নমুনা আগের মতোই নির্ধারিত সরকারি বা অনুমোদিত পরীক্ষাগারেই পরীক্ষা করাতে হবে।
Posted ১২:৪৯ পিএম | সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রতিদিনের অর্থনীতি | Protidiner Arthonity