শিরোনাম >>
শিরোনাম >>

কড়াকড়ি শর্তে ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ফেরত পেতে পারবেন আগের মালিকরা

প্রতিদিনের অর্থনীতি   |   রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬   |   প্রিন্ট

কড়াকড়ি শর্তে ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ফেরত পেতে পারবেন আগের মালিকরা
Share

দুর্বল ব্যাংক পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে ব্যাংক রেজোল্যুশন অধ্যাদেশ বিল আকারে জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। নতুন যুক্ত ধারা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ সাপেক্ষে একীভূত হওয়া ব্যাংকের পুরোনো শেয়ারধারীদের মালিকানায় ফেরার সুযোগ রাখা হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা ব্যাংক রেজোল্যুশন অধ্যাদেশ অবশেষে বিল আকারে গত শুক্রবার জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। বিলে নতুন একটি ধারা সংযোজন করা হয়েছে, যার মাধ্যমে দুর্বল ব্যাংক একীভূত হওয়ার আগে থাকা শেয়ারধারীদের পুনরায় মালিকানায় ফেরার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

বিলের ১৮(ক) ধারায় বলা হয়েছে, ব্যাংক রেজোল্যুশন অধ্যাদেশ ২০২৫-এর আওতায় তালিকাভুক্ত হওয়ার আগের শেয়ারধারীরা অথবা বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে উপযুক্ত বিবেচিত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের শেয়ার, সম্পদ ও দায় পুনরায় ধারণের জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে এ ক্ষেত্রে নির্ধারিত অঙ্গীকারনামা দাখিল করতে হবে।

অঙ্গীকারনামায় উল্লেখযোগ্য শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে—সরকার বা বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নেওয়া সব ধরনের আর্থিক সহায়তা পরিশোধ করা, নতুন মূলধন জোগান দিয়ে মূলধন ঘাটতি পূরণ করা এবং ব্যাংকের আর্থিক সক্ষমতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। পাশাপাশি আমানতকারী, দেশি-বিদেশি পাওনাদার ও তৃতীয় পক্ষের সব বৈধ দাবি নিষ্পত্তি এবং সরকারের কর ও অন্যান্য আর্থিক দায় পরিশোধ করতে হবে।

বিলের উপধারা (৩) অনুযায়ী, আবেদন অনুমোদনের তিন মাসের মধ্যে শেয়ার ও সম্পদ-দায় হস্তান্তরের আগে সরকার বা বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া অর্থের ৭.৫ শতাংশ পে-অর্ডার হিসেবে জমা দিতে হবে।

এছাড়া উপধারা (৪)-এ বলা হয়েছে, বাকি ৯২.৫ শতাংশ অর্থ দুই বছরের মধ্যে ১০ শতাংশ হারে সরল সুদসহ পরিশোধ করতে হবে।

বিলে অধ্যাদেশের মূল কাঠামোর বেশিরভাগই অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—বাংলাদেশ ব্যাংকের রেজোল্যুশন ক্ষমতা, প্রশাসক নিয়োগ, মূলধন বৃদ্ধি, সম্পদ ও দায় তৃতীয় পক্ষের কাছে হস্তান্তর, ব্রিজ ব্যাংক গঠন, সরকারি সহায়তা, রেজোল্যুশন তহবিল গঠন এবং দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই আইনের মাধ্যমে দুর্বল ব্যাংক পুনর্গঠন প্রক্রিয়া আরও সুসংহত হবে এবং আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

 

প্রতিদিনের অর্থনীতি/আরএস
Facebook Comments Box
Share
advertisement

Posted ৪:০৭ পিএম | রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

প্রতিদিনের অর্থনীতি |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর

সম্পাদক:
এম এ খালেক
Contact

মাকসুম ম্যানশন (৪র্থ তলা), ১২৭, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০

০১৮৮৫৩৮৬৩৩০

E-mail: protidinerarthonity@gmail.com