
| মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট | 291 বার পঠিত

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ) বাজারে বিক্রি হওয়া বিভিন্ন ব্র্যান্ডের গোলাপজল ও কেওড়া জলে অননুমোদিত রাসায়নিক ব্যবহারের অভিযোগে সতর্কতা জারি করেছে। লেবেলে ‘ফুড গ্রেড’ বা ‘খাবার উপযোগী’ লেখা থাকলেও অধিকাংশ পণ্যে মূল উপাদান স্পষ্টভাবে উল্লেখ না থাকায় ভোক্তারা বিভ্রান্ত হতে পারেন বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বিএফএসএ জানায়, বাজারে গোলাপজল ও কেওড়া জলের প্যাকেটে খাবার উপযোগী, ফুড গ্রেড, খাদ্য আইন অনুসরণ করে প্রস্তুত কিংবা ভেজিটেরিয়ান খাবার বোঝাতে সবুজ চিহ্নসহ বিভিন্ন দাবি ছাপানো হচ্ছে। কিন্তু এসব পণ্যের লেবেলে উপাদান হিসেবে শুধু বিশুদ্ধ পানি ও ফ্লেভার লেখা থাকায় সুগন্ধিটি কীভাবে তৈরি, তা নির্ণয় করা যাচ্ছে না।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, খাদ্যে অননুমোদিত সংযোজনী ব্যবহার বা সঠিক লেবেলিং না করা নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩–এর ২৭ ও ৩২ ধারায় অপরাধ। সম্প্রতি কয়েকটি কারখানায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সময় দেখা গেছে—কিডনি ডায়ালাইসিসে ব্যবহৃত রাসায়নিকসহ অননুমোদিত উপাদান ব্যবহার করে এসব সুগন্ধি তৈরি করা হচ্ছে।
এই পরিস্থিতিতে যেসব সুগন্ধি খাদ্যে ব্যবহারযোগ্য দাবি করা হলেও মোড়কাবদ্ধ খাদ্য লেবেলিং প্রবিধানমালা, ২০১৭ অনুযায়ী ‘অনুমোদিত প্রাকৃতিক’, ‘অনুমোদিত কৃত্রিম’ বা ‘অনুমোদিত প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম’ শব্দ ব্যবহার করা হয়নি এবং কৃত্রিম সুগন্ধি হলে প্রয়োজনীয় সাধারণ নাম ও আইএনএস নম্বর উল্লেখ নেই, সেসব পণ্যের উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বাজারে থাকা পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
সব খাদ্য প্রস্তুতকারী ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান—রেস্টুরেন্ট, বেকারি, কমিউনিটি সেন্টার ও কেটারিং প্রতিষ্ঠানকে এ ধরনের সুগন্ধি খাদ্যে ব্যবহার না করার নির্দেশ দিয়েছে বিএফএসএ। একই সঙ্গে ভোক্তাদের যথাযথ লেবেলিংবিহীন গোলাপজল, কেওড়া জল বা অনুরূপ সুগন্ধি ক্রয় বা খাদ্যে ব্যবহার না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

Posted ১১:৪২ পূর্বাহ্ণ | মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫
প্রতিদিনের অর্থনীতি | Protidiner Arthonity


