শনিবার ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>

এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের পরিচালকদের শেয়ার লক-ইন আরো ৩ বছর বাড়াল বিএসইসি

  |   বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   188 বার পঠিত

এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের পরিচালকদের শেয়ার লক-ইন আরো ৩ বছর বাড়াল বিএসইসি

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের উদ্যোক্তা, পরিচালক এবং প্লেসমেন্ট শেয়ারধারীদের শেয়ারের লক-ইন মেয়াদ আরো তিন বছর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) কমিশনের সভাকক্ষে বিএসইসি চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ৯৯৯তম কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভা শেষে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

বিএসইসি জানিয়েছে, কোম্পানিটি প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) থেকে উত্তোলিত অর্থের ব্যবহার সম্পন্ন না করেই গত বছরের ২৮ সেপ্টেম্বর একটি ৩২ তলাবিশিষ্ট ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা মূল্য সংবেদনশীল তথ্য (পিএসআই) হিসেবে প্রকাশ করে।

অভিযোগ অনুযায়ী, এ পরিকল্পনা ঘোষণার আগে প্রকল্প মূল্যায়ন, সম্ভাব্যতা যাচাই কিংবা সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন (রাজউক কর্তৃক বিল্ডিং প্ল্যান অনুমোদন, পরিবেশগত ছাড়পত্র ইত্যাদি) গ্রহণ করা হয়নি। পাশাপাশি কোম্পানির পূর্ব অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার সঙ্গেও এ ধরনের প্রকল্পের সামঞ্জস্য পাওয়া যায়নি।

নিয়ন্ত্রক সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রস্তাবিত ভবন নির্মাণ এবং আবাসন বা হোটেল ব্যবসায় যুক্ত হওয়ার বিষয়টি কোম্পানির সংঘস্মারকের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)–এর পরিদর্শন প্রতিবেদনে এসব অসঙ্গতি উঠে এসেছে।

কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, প্রসপেক্টাসে উল্লেখিত ১৮৩ জন উদ্যোক্তা, পরিচালক ও প্লেসমেন্ট শেয়ারহোল্ডারের ধারণকৃত শেয়ারের ওপর বিদ্যমান লক-ইন অবমুক্তির তারিখ থেকে অতিরিক্ত তিন বছর লক-ইন বহাল থাকবে।

তবে এ সময়সীমা প্রস্তাবিত ৩২ তলা ভবনের নির্মাণকাজ সম্পন্ন ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু (রাজউকের অকুপেন্সি সার্টিফিকেটসহ) হওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত। অর্থাৎ, তিন বছর বা ভবনের পূর্ণাঙ্গ সমাপ্তি ও ব্যবহারযোগ্যতা—যেটি পরে সম্পন্ন হবে, ততদিন পর্যন্ত লক-ইন কার্যকর থাকবে।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ৩১ আগস্ট বিএসইসির ৮৩৭তম কমিশন সভায় আইপিওর মাধ্যমে কোম্পানিটিকে ৯৫ কোটি টাকা উত্তোলনের অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রসপেক্টাস অনুযায়ী, এ অর্থ ব্যবসা সম্প্রসারণ (যন্ত্রপাতি ক্রয় ও স্থাপন), কারখানা ভবন নির্মাণ, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ এবং ইস্যু ব্যবস্থাপনা ব্যয়ে ব্যবহার করার কথা ছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত আইপিওর মাধ্যমে সংগ্রহ করা ওই তহবিলের পূর্ণাঙ্গ ব্যবহার সম্পন্ন হয়নি বলে জানিয়েছে কমিশন।

বিএসইসি জানিয়েছে, ডিএসইর পরিদর্শন প্রতিবেদন, বর্তমান বাজার পরিস্থিতি এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থার মতে, বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা রক্ষাই এ পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য।

 

প্রতিদিনের অর্থনীতি/এসএ
Facebook Comments Box
advertisement

Posted ১০:২০ পূর্বাহ্ণ | বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

প্রতিদিনের অর্থনীতি |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

এ বিভাগের আরও খবর

আর্কাইভ

February 2026
SSMTWTF
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28 

এক ক্লিকে বিভাগের খবর

সম্পাদক:
এম এ খালেক
Contact

মাকসুম ম্যানশন (৪র্থ তলা), ১২৭, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০

০১৮৮৫৩৮৬৩৩০

E-mail: protidinerarthonity@gmail.com