
| সোমবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট | 517 বার পঠিত

ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনের জন্য বাংলাদেশে মোট ১২টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছে। এগুলো সম্পূর্ণ ক্যাশলেস, ইন্টারনেট ও অ্যাপ-নির্ভর সেবা দেবে, যেখানে গ্রাহকরা মুঠোফোন বা অন্যান্য ডিজিটাল যন্ত্রের মাধ্যমে লেনদেন করতে পারবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্সের জন্য আবেদন গ্রহণ শুরু করে। মূলত আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ছিল ৩০ সেপ্টেম্বর, পরে সময়সীমা বাড়িয়ে ২ নভেম্বর করা হয়। গতকাল (রোববার) ছিল আবেদন জমা দেওয়ার চূড়ান্ত দিন।
সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনের জন্য আবেদন করেছে: ব্রিটিশ বাংলা ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান-ডিকে, আমার ডিজিটাল ব্যাংক-২২ এমএফআই, ৩৬ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, বুস্ট-রবি, আমার ব্যাংক (প্রস্তাবিত), অ্যাপ ব্যাংক-ফার্মারস, নোভা ডিজিটাল ব্যাংক-বাংলালিংক অ্যান্ড স্কয়ার, মৈত্রী ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, উপকারী ডিজিটাল ব্যাংক, মুনাফা ইসলামী ডিজিটাল ব্যাংক-আকিজ এবং বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৩ সালের ১৪ জুন ডিজিটাল ব্যাংকের নীতিমালা প্রণয়ন করে। নীতিমালা অনুযায়ী, ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন হবে ৩০০ কোটি টাকা। এছাড়া, পেমেন্ট সার্ভিস পরিচালনা হবে ২০১৪ সালের বাংলাদেশ পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট সিস্টেম রেগুলেশনের অধীনে।
ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনাবিহীন হবে, অর্থাৎ শাখা, এটিএম বা সিডিএম থাকবে না। সব সেবা হবে অ্যাপ-নির্ভর এবং ২৪ ঘণ্টা অনলাইন উপলব্ধ থাকবে। গ্রাহকরা ভার্চুয়াল কার্ড, কিউআর কোড ও অন্যান্য ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারবে, তবে কোনো প্লাস্টিক কার্ড দেওয়া হবে না।
বৃহৎ ও মাঝারি শিল্পে ঋণ দেওয়া যাবে না, শুধুমাত্র ছোট ঋণ দেওয়ার সুযোগ থাকবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন পাওয়ার পাঁচ বছরের মধ্যে প্রতিটি ডিজিটাল ব্যাংককে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবনা (আইপিও) আনার বাধ্যবাধকতা থাকবে।
ডিজিটাল ব্যাংকিং মূলত অনলাইন ব্যাংকিংয়ের বিস্তৃত রূপ, যা গ্রাহককে দ্রুত ও সুবিধাজনক ব্যাংকিং সেবা দেয়।

Posted ৪:৪৮ অপরাহ্ণ | সোমবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৫
প্রতিদিনের অর্থনীতি | Protidiner Arthonity


