
| বৃহস্পতিবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট | 664 বার পঠিত

আর্থিক সংকটে থাকা পাঁচ শরিয়াভিত্তিক ব্যাংক একীভূতকরণের প্রক্রিয়ায় সাধারণ বিনিয়োগকারীর ক্ষতি ঠেকানোর সুযোগ নেই, স্পষ্ট জানিয়ে দিল বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে চাইলে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের জন্য সরকার আলাদাভাবে ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা বিবেচনা করতে পারে।
বাংলাদেশ ব্যাংক বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ, ২০২৫ আন্তর্জাতিক উত্তম চর্চা অনুযায়ী প্রণয়ন করা হয়েছে। এতে আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক ও এফসিডিও’র কারিগরি মতামতও যুক্ত আছে। অধ্যাদেশে রেজল্যুশন প্রক্রিয়ায় আমানতকারী, শেয়ারহোল্ডারসহ পাওনাদারদের অধিকার এবং ক্ষতি বহনের কাঠামো স্পষ্ট করা হয়েছে।
অধ্যাদেশের ধারা ১৬(২)(ট), ২৮(৫), ৩৭(২)(গ) ও ৩৮(২)-এ বলা আছে, রেজল্যুশনের আওতাধীন ব্যাংকের শেয়ারধারক, দায়ী ব্যক্তি, অ্যাডিশনাল টিয়ার–১ ও টিয়ার–২ মূলধনধারকদের ওপর লোকসান আরোপ করার ক্ষমতা বাংলাদেশ ব্যাংকের আছে।
তবে ধারা ৪০ অনুযায়ী, রেজল্যুশনের বদলে যদি অবসায়ন (লিকুইডেশন) হতো, তাহলে শেয়ারহোল্ডারদের যে ক্ষতি হওয়ার কথা ছিল, তার চেয়ে বেশি ক্ষতি হলে সেই অতিরিক্ত অংশ ক্ষতিপূরণের সুযোগ রাখা আছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ভাষ্যমতে, আন্তর্জাতিক কনসালটিং ফার্মের এ-কিউ-আর ও বিশেষ পরিদর্শন বলছে, পাঁচ ব্যাংকই বিপুল লোকসানে আছে এবং তাদের শেয়ারের এনএভি এখন ঋণাত্মক। তাই ব্যাংকিং সেক্টর ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট কমিটির ২৪ সেপ্টেম্বরের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, সমগ্র লোকসান শেয়ারহোল্ডারদেরই বহন করতে হবে।
অর্থাৎ বর্তমান কাঠামো অনুযায়ী শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থ সংরক্ষণের সুযোগ নেই। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক ইঙ্গিত দিয়েছে, সরকার চাইলে ক্ষুদ্র শেয়ারহোল্ডারদের জন্য আলাদা ক্ষতিপূরণ বিবেচনা করতে পারে।

Posted ৯:৪৩ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৫
প্রতিদিনের অর্থনীতি | Protidiner Arthonity


