
| মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট | 158 বার পঠিত

ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর চাপ কমাতে খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিলের সুযোগ আরও বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত খেলাপি থাকা সব ঋণ এখন বিশেষ সুবিধায় সর্বোচ্চ ১০ বছর মেয়াদে পুনঃতফসিল করা যাবে, সঙ্গে থাকছে দুই বছরের গ্রেস পিরিয়ডও।
সোমবার (২৪ নভেম্বর) ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) নতুন নির্দেশনা জারি করে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, চলতি বছরের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বিরূপমানে থাকা সব খেলাপি ঋণ সর্বোচ্চ ১০ বছর মেয়াদে পুনঃতফসিল করা যাবে। এ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দুই বছরের গ্রেস পিরিয়ড থাকবে। অর্থাৎ এই সময়ের মধ্যে খেলাপি হওয়া ঋণগ্রহীতারাও নতুন সুবিধার আওতায় আসবেন।
অশ্রেণিকৃত মেয়াদি ঋণেও ছাড় বাড়ানো হয়েছে। আগের পুনঃতফসিলকৃত ঋণসহ এসব ঋণ ২০২২ সালের বিআরপিডি সার্কুলার ১৬–এ নির্ধারিত সময়ের অতিরিক্ত আরও দুই বছর বাড়িয়ে পুনর্গঠন করা যাবে।
এক্সিট সুবিধায়ও এসেছে নতুন শিথিলতা। ডাউনপেমেন্ট নেওয়ার পাশাপাশি আগের মেয়াদ থেকে আরও এক বছর বাড়ানো যাবে। মাসিক বা ত্রৈমাসিক কিস্তিতে পরিশোধের নিয়ম থাকলেও বছরে মোট অন্তত ২০ শতাংশ ঋণ পরিশোধ করতে হবে। এক্সিট সুবিধায় থাকা ঋণগুলো ‘এক্সিট (এসএমএ)’ হিসেবে দেখাতে হবে এবং সাধারণ প্রভিশন সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক। প্রকৃত আদায় ছাড়া স্পেসিফিক প্রভিশন আয় হিসেবে গণনা করা যাবে না।
তবে তিনটি মাসিক বা একটি ত্রৈমাসিক কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ হলে ঋণ আবারও যথানিয়মে শ্রেণিকরণ করা হবে। পাশাপাশি পুরো ঋণ শোধ না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে নতুন ঋণ অনুমোদন নিষিদ্ধ থাকবে।
ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৯(১)(চ) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে নির্দেশনাটি জারি করা হয়েছে, যা অবিলম্বে কার্যকর। দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের কাছে এ নির্দেশনা পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

Posted ২:৪৬ পূর্বাহ্ণ | মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
প্রতিদিনের অর্থনীতি | Protidiner Arthonity


