গণভোটে ‘হ্যাঁ’ প্রচারণা বাধ্যতামূলক করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

  |   সোমবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২৬   |   প্রিন্ট

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ প্রচারণা বাধ্যতামূলক করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
Share

সংবিধান সংস্কার সংক্রান্ত প্রস্তাবগুলোর ওপর আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জনসচেতনতা তৈরিতে এবার সরাসরি মাঠে নামল বাংলাদেশ ব্যাংক। দেশের সব বাণিজ্যিক ব্যাংককে এ বিষয়ে প্রচারণা চালানোর লিখিত নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ–১ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫–এ অন্তর্ভুক্ত সংবিধান সংস্কার প্রস্তাবগুলোর ওপর গণভোট বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে প্রতিটি ব্যাংকের সব শাখা ও উপশাখার সামনে এবং দৃষ্টিনন্দন স্থানে অন্তত দুটি খাড়া ব্যানার প্রদর্শন করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে গত ৫ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে দেওয়া নির্দেশনার আলোকে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ব্যানারের নকশা ও বিষয়বস্তু প্রজ্ঞাপনের সঙ্গে সংযুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।

এর আগে ব্যাংক ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের সঙ্গে এক বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মৌখিকভাবে গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে প্রচারণার আহ্বান জানান। তখন কিছু ব্যাংক তাৎক্ষণিকভাবে প্রচারণা শুরু করলেও কয়েকটি ব্যাংক লিখিত নির্দেশনা ছাড়া এ ধরনের কার্যক্রমে যেতে অনিচ্ছা প্রকাশ করে। তাদের সেই অবস্থানের পরিপ্রেক্ষিতেই এবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রজ্ঞাপন জারি করা হলো।

ইতোমধ্যে রাজধানীর সোনালী, রূপালী, অগ্রণী ও জনতা ব্যাংকের একাধিক শাখায় ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণামূলক ব্যানার দেখা গেছে।

ব্যানারগুলোতে লেখা রয়েছে- গণভোট ২০২৬, সংসদ নির্বাচন। দেশের চাবি আপনার হাতে। আপনি কি এমন বাংলাদেশ চান, যেখানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন ও সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) গঠনে সরকারি দল ও বিরোধী দল একসঙ্গে কাজ করবে?

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে গণভোট সংশ্লিষ্ট ১২টি বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরির পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এসব বিষয়ের মধ্যে রয়েছে- সরকারি দল ইচ্ছামতো সংবিধান সংশোধন করতে পারবে না; সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে গণভোট বাধ্যতামূলক হবে; বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার এবং গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হবেন; কেউ সর্বোচ্চ ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না; সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হবে; ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠায় সংসদে একটি উচ্চকক্ষ গঠন করা হবে; বিচারব্যবস্থা স্বাধীনভাবে কাজ করবে; মৌলিক অধিকারের পরিধি বাড়বে এবং ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করা যাবে না; দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীকে রাষ্ট্রপতি ইচ্ছামতো ক্ষমা করতে পারবেন না; রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা করা হবে।

 

প্রতিদিনের অর্থনীতি/এসআর
Facebook Comments Box
Share
advertisement

Posted ৮:৫৭ পিএম | সোমবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২৬

প্রতিদিনের অর্থনীতি |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

আর্কাইভ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর

সম্পাদক:
এম এ খালেক
Contact

মাকসুম ম্যানশন (৪র্থ তলা), ১২৭, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০

০১৮৮৫৩৮৬৩৩০

E-mail: protidinerarthonity@gmail.com