ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় বিক্রি ও রপ্তানি আদেশে ইতিবাচক বার্তা

  |   রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬   |   প্রিন্ট

ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় বিক্রি ও রপ্তানি আদেশে ইতিবাচক বার্তা
Share

দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে ভোক্তা চাহিদা এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশি পণ্যের গ্রহণযোগ্যতা- দুই ক্ষেত্রেই আশাব্যঞ্জক বার্তা দিয়েছে সদ্য সমাপ্ত ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা। পূর্বাচলের নবনির্মিত বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত এই মেলায় মোট ৩৯৩ কোটি টাকার পণ্য বেচাকেনা হয়েছে, যা দেশের শিল্প ও বাণিজ্য খাতে চলমান গতি ধরে রাখার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

মেলার মাধ্যমে দেশীয় উদ্যোক্তারা প্রায় ২২৪ কোটি টাকার সম্ভাব্য রপ্তানি আদেশ সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছেন। আয়োজকদের মতে, আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আগ্রহ এবং অর্ডারের পরিমাণ প্রমাণ করে যে বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রতি আস্থা ক্রমেই বাড়ছে।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেলে অনুষ্ঠিত সমাপনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, আগের বছরের তুলনায় এবারের মেলায় পণ্য বিক্রির পরিমাণ ৩ দশমিক ৪২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় রেস্তোরাঁসহ বিভিন্ন স্টলে ভোক্তাদের সক্রিয় উপস্থিতি অভ্যন্তরীণ বাজারের শক্ত অবস্থানও তুলে ধরে।

রপ্তানি আদেশের ক্ষেত্রে এবারের মেলা বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। আফগানিস্তান, সিঙ্গাপুর, হংকং, ইন্দোনেশিয়া, ভারত, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া ও তুরস্ক এই দেশগুলো থেকে পাওয়া অর্ডারগুলো ভবিষ্যতে রপ্তানি আয় বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন এফবিসিসিআইর প্রশাসক ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আবদুর রহিম খান এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ।

এবারের মেলায় দেশি ও বিদেশি মিলিয়ে ৩২৯টি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ভারত, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, হংকং ও মালয়েশিয়ার ১১টি বিদেশি প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্য ও সেবা প্রদর্শন করে। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্য থেকে স্থাপনা নকশা, পণ্যের মান, সেবা, সৌন্দর্য ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাসহ বিভিন্ন সূচকে মূল্যায়নের মাধ্যমে ৪০টি প্রতিষ্ঠানকে শ্রেষ্ঠ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

মেলায় কটেজ, মাইক্রো, ক্ষুদ্র, মাঝারি ও ভারী শিল্প খাতের প্রতিনিধিত্ব ছিল উল্লেখযোগ্য। পোশাক, চামড়াজাত ও পাটজাত পণ্য, আসবাব, ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিকস সামগ্রী, প্রসাধনী, প্লাস্টিক পণ্য এবং হস্তশিল্পসহ নানা ধরনের পণ্য ও সেবা প্রদর্শন ও বিক্রি হয়।

 

প্রতিদিনের অর্থনীতি/জেবি
Facebook Comments Box
Share
advertisement

Posted ৮:৪৯ এএম | রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

প্রতিদিনের অর্থনীতি |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement

আর্কাইভ

এক ক্লিকে বিভাগের খবর

সম্পাদক:
এম এ খালেক
Contact

মাকসুম ম্যানশন (৪র্থ তলা), ১২৭, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০

০১৮৮৫৩৮৬৩৩০

E-mail: protidinerarthonity@gmail.com