
| সোমবার, ১২ জানুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট | 171 বার পঠিত

দেশে চলমান গ্যাস সংকটের প্রেক্ষাপটে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানিকারকদের জন্য ঋণ সুবিধা সহজ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে এলপিজি আমদানির ক্ষেত্রে সরবরাহকারী ঋণ (সাপ্লায়ার্স ক্রেডিট) ও ক্রেতার ঋণ (বায়ার্স ক্রেডিট) সুবিধা পাওয়া যাবে।
সোমবার (১২ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, এলপিজি সাধারণত বাল্ক আকারে আমদানি করা হয় এবং পরবর্তী সময়ে সিলিন্ডারে ভরে বাজারজাত করা হয়। মজুত, সিলিন্ডারজাতকরণসহ পুরো প্রক্রিয়ায় তুলনামূলকভাবে বেশি সময় প্রয়োজন হয়। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে এলপিজিকে বাণিজ্যিক ঋণের ক্ষেত্রে শিল্প কাঁচামাল হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিদ্যমান বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় বিধিমালা অনুযায়ী, শিল্প কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৭০ দিন পর্যন্ত সরবরাহকারী বা ক্রেতার ঋণ সুবিধা নেওয়া যায়। ফলে এখন থেকে এলপিজি আমদানিও এই সময়সীমার মধ্যে বাকিতে বা ঋণের মাধ্যমে করা সম্ভব হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে, তারা যেন বিদেশি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে বায়ার্স ক্রেডিটের ব্যবস্থা করে। পাশাপাশি অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটের মাধ্যমে বিল ডিসকাউন্টিং সুবিধাও দেওয়ার সুযোগ থাকবে। এ সিদ্ধান্তে এলপিজি আমদানিকারকদের আর্থিক চাপ অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এদিকে সরবরাহ সংকটের কারণে সিলিন্ডারের আকারভেদে এলপিজির দাম ৩৫০ থেকে ৯০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ ভোক্তা ও ব্যবসায়ীরা। এর প্রভাব পড়েছে বাসাবাড়ি ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় রান্নাবান্নার ওপরও।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এই উদ্যোগ এলপিজি সরবরাহ স্বাভাবিক করতে এবং বাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Posted ৬:২৩ অপরাহ্ণ | সোমবার, ১২ জানুয়ারি ২০২৬
প্রতিদিনের অর্থনীতি | Protidiner Arthonity


