| রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬ | প্রিন্ট
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে জ্বালানি তেল বিক্রিতে চালু থাকা রেশনিং ব্যবস্থা তুলে নিয়েছে সরকার। রোববার (১৫ মার্চ) থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব ফিলিং স্টেশনে চাহিদা অনুযায়ী স্বাভাবিকভাবে ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেন সরবরাহ ও বিক্রি করা যাবে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে রোববার জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যে ইরান–ইসরাইল সংঘাতের প্রভাবে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ লাইনে কিছু জটিলতা তৈরি হওয়ায় পরিস্থিতি মোকাবেলায় সাময়িকভাবে কয়েকটি নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। তবে ইতোমধ্যে আমদানিকৃত কয়েকটি জ্বালানি তেলের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে।
এ অবস্থায় ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখা এবং বোরো মৌসুমে কৃষকদের সেচ কার্যক্রম সচল রাখতে জ্বালানি তেল বিতরণে রেশনিংসহ সব ধরনের বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ১৫ মার্চ থেকে দেশের সব বিতরণকেন্দ্রে চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেল সরবরাহ অব্যাহত থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ অনিশ্চয়তা দেখা দিলে গত ৬ মার্চ থেকে দেশে জ্বালানি তেল বিক্রিতে সীমা নির্ধারণ করা হয়। তখন মোটরসাইকেলের জন্য দৈনিক দুই লিটার, স্পোর্টস ইউটিলিটি যান ও মাইক্রোবাসের জন্য ২০ থেকে ২৫ লিটার, পিকআপ ও লোকাল বাসের জন্য ৭০ থেকে ৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যানের জন্য ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল বিক্রির সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
পরে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে মোটর সাইকেলের জন্য দৈনিক সীমা দুই লিটার থেকে বাড়িয়ে পাঁচ লিটার করা হয় এবং সামগ্রিক রেশনিং ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশে নামানো হয়। ঈদকে সামনে রেখে এখন সেই সীমাবদ্ধতা পুরোপুরি প্রত্যাহার করা হয়েছে।
Posted ১:৫৩ পিএম | রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬
প্রতিদিনের অর্থনীতি | Protidiner Arthonity