
নিজস্ব প্রতিবেদক | মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫ | প্রিন্ট | 229 বার পঠিত

চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা নিলাম অযোগ্য ১৯টি বিপজ্জনক পণ্য ধ্বংস করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) জানিয়েছে, এই ধ্বংস কার্যক্রমে পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে এবং বন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) প্রকাশিত এক প্রেস বিবৃতিতে এনবিআর জানিয়েছে, গত ২৫ অক্টোবর সকাল ৯টা থেকে ২৬ অক্টোবর রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত এই কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। ধ্বংস কার্যক্রমে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, আনসার সদস্য এবং স্থানীয় বন্দর থানা পুলিশ সহায়তা করেছে।
ধ্বংস হওয়া পণ্যের মধ্যে ছিল: আনকোটেড ক্যালসিয়াম কার্বোনেট – ১৬ কন্টেইনার, অরেঞ্জ ইমালশন – ১ কন্টেইনার, সুইট হুই পাউডার – ১ কন্টেইনার, স্কিমড মিল্ক পাউডার – ১ কন্টেইনার।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই কন্টেইনারগুলো দীর্ঘদিন ধরে বন্দরে পড়ে থাকা এবং নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করছিল। ধ্বংস কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় নিলাম অযোগ্য ও বিপজ্জনক পণ্য ধ্বংসের লক্ষ্যে গঠিত আন্তঃসংস্থা কমিটির তত্ত্বাবধানে। কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মোহাম্মদ নূরুল্লাহ নূরী। এছাড়া পরিবেশ অধিদপ্তর, বিস্ফোরক অধিদপ্তর, ডিজিএফআই, এনএসআই, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ ও চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
গত বছরও চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজ ও বন্দরের যৌথ উদ্যোগে ১৪ বছর ধরে বন্দরে পড়ে থাকা অতি দাহ্য ৪টি পণ্য সফলভাবে ধ্বংস করা হয়েছিল। এনবিআর ইতোমধ্যে বন্দরের ৬ হাজার ৬৯টি কন্টেইনারের ইনভেন্টরি সম্পন্ন করে দ্রুত নিলাম কার্যক্রম শুরু করেছে, যার মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কন্টেইনার বিক্রি করা হয়েছে।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা বিপজ্জনক পণ্য পর্যায়ক্রমে ধ্বংসের কার্যক্রম চলমান থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।

Posted ৫:০৫ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫
প্রতিদিনের অর্থনীতি | Protidiner Arthonity


